রূপগঞ্জ থানার মামলা নং-৫৮, ধারা-১৪৩/১৪৭/১৪৮/৩২৩/৩২৬/ ৩০৭/৩৮০/৩৫৪/ ৪২৭/৫০৬ দঃবিঃ সংযোজন ধারা-৩০২/৩৪ দঃবিঃ

1229

নিজস্ব প্রতিনিধিঃগত ২১/১১/২০১৮ খ্রিঃ তারিখ অত্র জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন মাহনাস্থ জনৈক মনোয়ারা বেগম এর জামাতা মনির হোসেন এর বাড়িতে আসামী- ১। আব্দুল মান্নান(৪৪), ২। মাসুদ (২৬)সহ আরো ৫০/৬০জন আসামী বেআইনী জনতাবদ্ধে অনধিকার প্রবেশ করে খুন করার উদ্দেশ্যে মারপিট করতঃ ২১/১১/২০১৮ খ্রিঃ তারিখ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় দেশী অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আক্রমন করে। উক্ত আক্রমনের ফলে মনোয়ারা বেগম এর ছেলে রাজু (৩০) ও রাসেল(৩৫)দ্বয়কে গলার বাম পার্শ্বে, বুকের ডান পার্শ্বে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। এক পর্যায়ে উপস্থিত লোকজন গুরুতর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার পূর্বক চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার অনুমনা ০৭(সাত) দিন পর পুলিশ সদস্য রাসেল (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ সংক্রান্তে মৃত রাজুর মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে রূপগঞ্জ থানার মামলা নং-৫৮, তারিখ- ২২/১১/২০১৮ খ্রিঃ, ধারা-১৪৩/১৪৭/১৪৮/৩২৩/ ৩২৬/৩০৭/৩৮০/৩৫৪/৪২৭/৫০৬ দঃবিঃ রুজু হয়। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে মামলার তদন্তকারি অফিসার আবেদনের প্রেক্ষিতে হত্যা মামলার ধারা-৩০২/৩৪ দঃবিঃ সংযোজন করা হয়। উক্ত ভিকটিম রাসেল(৩৫), পিতা- মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধ আজাহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তার কর্মরত ইউনিট ছিল ঢাকা এসবি। ঘটনার পূর্বে উক্ত পুলিশ সদস্য রাসেল(৩৫) ছুটিতে বাড়িতে থাকাবস্থায় উল্লিখিত আসামীরা হামলা করে কুপিয়ে হত্যা করে।

মামলাটি অত্যন্ত র্স্পশকাতর বিধায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, বিপিএম(বার), পিপিএম(বার) নারায়ণগঞ্জ জেলা যোগদানের পর মামলার গুরুত্ব অনুধাবন করে উক্ত মামলাটি নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবিতে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবির চৌকশ পুলিশ পরিদর্শক(নিঃ)/জনাব গিয়াস উদ্দিন দক্ষতার সাথে মামলাটি তদন্ত করে অত্র মামলার এজাহারনামীয় মূল ০১নং আসামী- আঃ মান্নান (৪৬), পিতা-মৃত ছাত্তার এবং ০২নং আসামী- মাসুদ (২৬), পিতা-দুলাল, উভয় সাং- মাহনা, সাং-মাহনা, থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জদ্বয়কে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্বস্ত সোর্সের মাধ্যমে নরসিংদী জেলার মাধবদী থানাধীন মাধবদী বাজার হতে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় পুলিশ সদস্য রাসেল (ভিকটিম)কে কুপিয়ে হত্যা করেছে মর্মে প্রাথমিকভাবে ¯^ীকার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের ১০(দশ) দিনের রিমান্ড চেয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।