ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিকের খুব বাজে অবস্থা: শামীম ওসমান

445

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিকের অবস্থা খুব বাজে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান। তিনি বলেন, আমার বেশ কিছু কাজ জমে আছে সেগুলো করতে হবে। আমাকে এখন ঢাকা যেতে হবে আবার ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জে আসতে হবে। এটা খুবই কষ্টসাধ্য, শরীরে কুলায় না। কারণ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের অবস্থা আপনারা বোঝেন। খুব বাজে একটা অবস্থা। এ দেশে স্বাস্থ্য খাতে যেমন অবস্থা তেমনি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক জ্যামের একই অবস্থা। কিন্তু আমরা ওভারকাম করবো। আপনারা সাপোর্ট দিলে আগামী বছর আমরা স্বাস্থ্যখাতে সেরা সেটা বলতে পারবো।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলা পরিষদে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আয়োজনে গর্ববতী নারীদের স্বাভাবিক প্রসব সেবা জোরদার বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আয়োজকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা একটা মহৎ কাজ করছেন। একজন মাকে সুস্থ করার জন্য, একটি সন্তানকে সুস্থভাবে দুনিয়াতে আনতে কাজ করছেন এর ফল যেন আল্লাহ দুনিয়াতেই আপনাদের দেয়। এই দোয়াই আপনাদের জন্য আমি করবো।
তিনি আরো বলেন, সবাইকে মিলে একসাথে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশকে সুন্দর করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। টেবিলের এপাশ-ওপাশ করতে থাকলে দেশ আগাইতে পারবে না। আমরা একটা টিম। কে এমপি, কে ডিসি, কে এডিশনাল সেক্রেটারি এটা বিষয় না। আপনার আমার মধ্যে কোন পার্থক্য নাই।
সংসদ সদস্য বলেন, বাংলাদেশে অনেক পরিবার আছে পুষ্টিহীনতায় থাকে। অনেক মহিলা গর্ববতী অবস্থায় একটু সান্তনাও পায় না। আমি এই খাতে কাজ করতে চাই। আপনারা খালি আমাকে শিখিয়ে দিবেন বাকিটা যা করার আমি করবো। আগামী বছর আমাদের ভিডিও ফুটেজ অন্য জায়গায় দেখাবে।
তিনি আরো বলেন, যে দেশের জন্য ত্রিশ লাখ শহীদ তাদের জীবন দিয়েছেন সে দেশ পিছিয়ে যেতে পারে না। আর যে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে দেশের পিছিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. বসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও পরিচালক ব্রজ গোপাল ভৌমিক, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যান বিভাগের উপসচিব মো. মিজানুর রহমান, জেলা স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক প্রমুখ।