সিদ্ধিরগঞ্জের সেই বিতর্কিত দারোগার কান্ড

447

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই সামসুল আলম বিভিন্ন সময়ে তার কর্মকান্ডের জন্য বিভিন্ন ভাবে এলাকার মানুষের কাছে সমালোচিত। ২০১৭ সালে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় সাধারন মানুষকে হয়রানি ও সামারী করা পুলিশদের তালিকায় সে অন্যতম এবং শীর্ষে। সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় সামসুল আলমের অপকর্মের দৌরাতœ বেড়ে যাওয়ায় তাকে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে নারায়নগঞ্জ বন্দরের একটি ফাঁড়িতে বদলী করা হয়। কিন্তু সামসুল আলমের অপকর্ম সেইখানেও থেমে ছিলো না। বন্দর এলাকার এক ব্যাক্তিকে ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবী করার দায়ে বিতর্কিত দারোগা সামসুল আলমকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযোগ করা হয়। সম্প্রতি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আবারো যোগদান করেন সামসুল আলম। শনিবার রাতে নাসিক ১ নং ওয়ার্ডে কিছু লোকজন সন্দেহজনক ভাবে জহিরুল ও সায়মা রহমানকে রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি বাসায় আটক করে মারধর করে। খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের গনমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলে এবং মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন তারা এখানে ঘুরতে এসেছে। হঠাৎ কিছু লোকজন তাদের আটক করে তাদেরকে মারধর করে। পরে তাদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবী করে এলাকার কিছু বখাটে লোকজন। গনমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহীন পারভেজকে অবগত করলে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিতর্কিত এসআই সামসুল আলমকে ঘটনাস্থলে পাঠালে সে আইনগত ভাবে মিমাংসা না করে রহস্যজনক ভাবে ফিরে যায়। এসআই সামসুল আলমের এমন পদক্ষেপে এলাকাবাসীর মধ্যে দেখা দিয়ে ক্ষোভ। নাম প্রকাশ না করা শর্তে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায় সামসুল আলম মোটা অংকের টাকার অফার পেয়ে ছেলে এবং মেয়েকে রেখে চলে এসেছে। সামারীবাজ দারোগা সামসুল আলমকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে আবারো বদলীর দাবী জানান এলাকার সচেতন মহল এবং উক্ত বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন-অর রশিদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।