সড়ক-মহাসড়কে কোন চাঁদাবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না- ডিআইজি হাবিবুর রহমান

448

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ২৮/০৫/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ বেলা ১২:৩০ ঘটিকার সময় নারায়ণগঞ্জ জেলার আওতাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন করেন ঢাকা রেঞ্জের মাননীয় ডিআইজি জনাব হাবিবুর রহমান, বিপিএম(বার), পিপিএম(বার)। মাননীয় ডিআইজি মহোদয় সাইনবোর্ড, শিমরাইল, কাঁচপুর এলাকায় হেঁটে হেঁটে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার ট্রাফিক বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। অতপর ডিআইজি মহোদয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর চৌরাস্তায় রাস্তার বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় ও প্রেস ব্রিফিং করেন। উক্ত প্রেস ব্রিফিং এ ডিআইজি মহোদয় বলেন, এই বারের ঈদে সবচেয়ে বড় চমক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাঁচপুর,মেঘনা ও গোমতির নব-নির্মিত চার লেনের সেতুগুলো খুলে দেওয়া হয়। যার ফলে ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখি মানুষ নির্বিঘ্নে-স্বাচ্ছন্দনে বাড়ি যেতে পারবে। আমরা মনে করি এই বারের ঈদ যাত্রা অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে স্বচ্ছল ও নির্বিঘ্নে ঘরমুখি মানুষ যানজট মুক্ত পরিবেশে যেতে পারবে। এ ছাড়া সড়ক-মহাসড়কে ছিনতাই ও চাঁদাবাজ রোধে আমাদের আইজিপি স্যারের নেতৃত্বে জিরো টলারেন্স নীতি ইতি মধ্যে গ্রহন করা হয়েছে। কোন শ্রমিক সংগঠন বা কোন ব্যক্তিবর্গ বা কোন দল বা গোষ্ঠি বা চাঁদাবাজ চক্র চাঁদা দাবি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ চাঁদাবাজ চক্রের সাথে কোন পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ঈদ জামাত ও জঙ্গী হামলা নিয়ে নারায়ণগঞ্জের এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে ডিআইজি বলেন, জঙ্গী হামলার বিষয়ে কোন সু-নির্দিষ্ট আশংকা নাই। তদুপরি সারাদেশে জঙ্গি হামলার বিষয়ে পর্য়াপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে এবং জঙ্গীদের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। উক্ত সময় ডিআইজি মহোদয়ের সাথে অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান, বিপিএম(বার) ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব হারুন অর রশীদ, বিপিএম(বার), পিপিএম(বার) সহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ সময় পুলিশ সুপার বলেন আমাদের ডিআইজি মহোদয় ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হওয়ার পর দুই বার নারায়ণগঞ্জ এসেছেন সে হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলা সত্যিই ভাগ্যবান। এই বারের ঈদ নির্বিঘ্নে করতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। বিশেষ করে চাষাড়া থেকে সাইনবোর্ড এ অনেক গুলো রোড ডিভাইডার কাঁটা ছিল যার ফলে যানজট লেগে থাকত। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে উক্ত কাঁটা গুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে যার ফলে যানজট অনেকটা নিরসন হয়েছে। সাইনবোর্ড-মেঘনা মহাসড়কে নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশের ব্যবস্থা করা হয়েছে, ০৪ টি ওয়াচ টাওয়ার নির্মান করা হয়েছে, সকল প্রকার ফুটপাত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হইতেছে। তিনি আরো বলেন নারায়ণগঞ্জ এর একটি পক্ষ বিআরটিসি বাস পরিবহন ব্ন্ধ রেখে মনোপুলি ব্যবসা করতে চেয়েছিল, আমি ডিআইজি স্যারের সাথে কথা বলে তা বন্ধ করে দিয়েছি। এবং বিআরটিসি বাস চলাচলের সু-ব্যবস্থা সহ চাষাড়ায় কাউন্টার বসানোর ব্যবস্থা করেছি। সাংবাদিক ভাইয়েরা জেলা পুলিশের সকল কাজকে জনগনের নিকট পৌছে দিয়েছেন বিধায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সকল সাংবাদিকদেরকে ধন্যবাদ জানান।