মেঘনা নদী ও সরকারি জায়গা দখল করে বালু ব্যবসা

368

সময়ের চিন্তা ডট কমঃ সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদী ও সরকারি জায়গা দখল করে বালু ব্যবসা বন্ধে অভিযান চালিয়ে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ। ৪ মাস পূর্বে মেঘনা নদীর তীরে বিআইডব্লিউটিএ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও ক্ষমতাসীন দলের একটি গ্রুপ গত কিছুদিন ধরে মেঘনা নদীর তীর ভরাট করে অবৈধভাবে বালু ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। রবিবার সকালে নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ও বিআইডাব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামালের তত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক মোঃ শহিদুল্লাহসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। এসময় জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ বালু ৭ লাখ ২০ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ বন্দরের যুগ্ম-পরিচালক মাসুদ কামাল বলেন, মেঘনা নদীর দুই তীরে গত মে মাসে টানা ৬ দিন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। সেসময় অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠানের দখলকৃত অংশ উচ্ছেদ করা হয়েছিল এবং ভরাটকৃত বালু নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল। শীঘ্রই মেঘনা নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে আবারো অভিযান শুরু হবে। নদী দখলকারীরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন তাদের কোন ছাড় নেই।
উল্লেখ্য চলতি বছরের ২০ মে থেকে ২৯ মে পর্যন্ত মেঘনা নদীর তীরে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে ৬ দিন ব্যপী অভিযান পরিচালনা করে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ। এসময় মেঘনা নদীর তীর ভরাট ও দখল করায় মেঘনা গ্রুপ, আমান গ্রুপ, অরিয়ন গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, ইউনিক গ্রুপ, আল মোস্তফা গ্রুপের পলিমার ইন্ড্রাস্ট্রিজ, খাঁন ব্রাদার্স ডকইয়ার্ড, আব্দুল মোনেম গ্রুপ, কনকর্ড গ্রুপসহ বেশ কয়েকটি ভরাট ও দখলকৃত অংশ অবমুক্তে অভিযান চালানো হয়। এসময় কয়েকটি পাকা বহুতল ভবন, কয়েকটি ডকইয়ার্ডের বর্ধিত অংশসহ শতাধিক পাকা ও কাঁচা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত বালু ও অন্যান্য সামগ্রী নিলামে প্রায় ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। এসময় মেঘনা নদীর শাখা নদী ড্রেজার দিয়ে ভরাটের চেষ্টাকালে কমপক্ষে ১৭টি ড্রেজার ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল।