স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবে শাজাহান খান

329

সময়ের চিন্তা ডট কমঃ ২৩ই নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠকে  বসবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান। বৈঠকে নতুন সড়ক আইন-২০১৮ সংশোধনের ব্যাপারে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হবে। শাজাহান খানের নেতৃত্ব শ্রমিক ফেডারেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও বৈঠকে উপস্থিত থাকবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শাজাহান খান জানিয়েছে, দুর্ঘটনার তদন্ত বুয়েটের এক্সিডেনট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এআরআই) ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে তদন্ত করতে হবে। তাহলে কে দায়ী বেরিয়ে আসবে। মামলাগুলোকে বিচার-বিশ্লেষণ করে চার্জশিট দিতে হবে। সেখানে পথচারী, যাত্রী, রাস্তা, ড্রাইভার নাকি মালিকের পুরোনো গাড়ির কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেটি দেখতে হবে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ফেডারেশনের বিভিন্ন এলাকার শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুই দিনব্যাপী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় তিনি এই দাবি জানায়।

নুতন আইনের কোন কোন ধারা পরিবর্তন চায় ফেড়ারেশন এমন প্রশ্নের জবাবে শাজাহান খান বলে, আমরা এখনো ধারা নির্ধারণ করিনি। আইনের কোন কোন ধারায় পরিবর্তন আনা উচিত তা আমরা বৈঠকে বসে নির্ধারণ করব। সড়ক পরিবহন সেক্টরে অন্যান্য যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলোও আমরা তুলে ধরব। আমরা সেই দাবিনামা সরকারের কাছে পেশ করব।

সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খানের আরো বলেন, আগামী ২৪ তারিখ সড়ক পরিবহন টাস্কফোর্সের বৈঠক রয়েছে। এর আগে আমরা যে ১১১টি সুপারিশ করেছি, সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে। সেখানেও আমরা বিষয়গুলো তুলে ধরব। আমি বিশ্বাস করি, যে সুপারিশ করা হয়েছে তা যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে সড়ক দুর্ঘটনা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেমে আসবে।

তিনি বলেন, আইনটি করার আগে আমরা কিছু প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি। এ বিষয়ে আগামীকাল (আজ) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কীভাবে সমস্যাগুলো সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হবে। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের কর্মসূচি জানাব।
ট্রাক শ্রমিকরা কি ফেডারেশনের নির্দেশে কর্মবিরতি পালন করেছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেউ কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। তেজগাঁওয়ের যে পণ্যপরিবহন সমিতি সেটা আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ২৩৩টি সংগঠন আমাদের ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত।

গত ১ নভেম্বর নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর করতে মাঠে নামে প্রশাসন। আইনটি কার্যকর করার পর থেকে শুরু হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া । ঐ আইনটি সংশোধনের জন্য পরিবহন শ্রমিকরা কর্মবিরতিও পালন করেন।