আশিকুজ্জামানঃর্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল হতে ৬ হাজার চোরাই তেলসহ গ্রেফতার ০১ জন। র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে র্যাব-১১ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ এবং দুষ্কৃতিকারী চক্রের দৌরাতণ্ট্য উলেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে চোরাই মালামাল উদ্ধারসহ অপরাধীদের গ্রেফতারে সার্বক্ষনিকভাবে র্যাব অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল গত ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে দিবাগত রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল পদ্মা রোড বারমা স্ট্যান্ড ও সুমিলপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২৯টি ড্রাম ভর্তি ৬,১০০ লিটার চোরাই জেট ফুয়েল উদ্ধার করা হয় যার আনুমানিক মূল্য চার লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা এবং চোরাই কাজে ব্যবহৃত ০২টি নীল রংয়ের ছোট পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়। এসময় চোরাই চক্রের সক্রিয় সদস্য আসামী মোঃ ইসমাইল রিপন(৪৪)’কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী বিভিন্ন কৌশলে অবৈধ উপায়ে জ্বালানী তেল সংগ্রহ এবং মজুদ করে অবৈধভাবে কেনাবেচা করে আসছে।
গ্রেফতারকৃত’কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় অবস্থিত পদ্মা ও মেঘনা ডিপো। উক্ত এলাকায় ডিপো কেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি চোরাই তেলের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে যা বিভিন্ন সময় পত্র পত্রিকায় খবর ও অনুসন্ধানী রিপোর্টে উঠে আসে। এই ডিপো হতে প্রতিদিন শত শত তেলের লরী তেল ভর্তি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। এই সেন্ডিকেটের কাছে কিছু অসাধু লরীর ড্রাইভার ও হেলপার নামে মাত্র মূল্যে তেল ভর্তি লরী থেকে চুরি করে তেল বিক্রি করে। চোরাই চক্র এই তেলের সাথে ভেজাল তেল মিশিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে এই তেল সরবরাহ করে। এই তেল ব্যবহার করে গাড়ীর ইঞ্জিন ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। এই চোরাই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।



