৪ খাতে সিটি কর্পোরেশনকে সহায়তা করবে নারোতো সিটি

252

স্টাফ রিপোর্টারঃ সংস্কৃতি, অর্থনীতি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ খাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনকে সহায়তা করবে জাপানের নারোতো সিটি। এজন্য মঙ্গলবার সচিবালয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ও জাপানের নারোতো সিটির মধ্যে ফ্রেন্ডশিপ সিটি সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ও নারোতো সিটির মেয়র মিচিহিকো ইজোমি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশেকে নিয়ে সারা পৃথিবীর অনেকেই আগ্রহ আছে। বিশেষ করে জাপান আমাদের বন্ধু দেশ, তারা মনে করছে আমাদের সাথে তাদের যতটুকু সম্ভব বন্ধুত্বের অবদান তারা রাখতে চায়। তারা এখন মনে করছে বাংলাদেশে যদি কোন বিনিয়োগ করা হয়, যদি কোন সাহায্য করা হয়, তবে সাহায্যটা মানবতার জন্য কাজে লাগবে, মানুষের জন্য কাজে লাগবে।

এই চুক্তির মাধ্যমে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করতে পারবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, শিক্ষা ও মানবসম্পদের বিষয়-আশয় দুটি শহর পরস্পরের সঙ্গে বিনিময় করবে। এজন্য এই চুক্তি হয়েছে। এই চারটি ক্ষেত্রে জাপান অনেক এগিয়ে আছে। আমরা তাদের কাছ থেকে এসব ক্ষেত্রে সহায়তা পেতে পারি। তাদের কাছ থেকে প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন সহায়তা পেতে পারি।

বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের এমন ফেন্ডশিপ চুক্তি এটাই প্রথম জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, একদিনে অনেক কিছু অর্জন হয়ে যাবে না। তবে সর্বাঙ্গীন উন্নয়নের পদ যাত্রায় একত্রিত হয়েছি এটা বলা যায়।

সহযোগিতার ক্ষেত্রেগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, সংস্কৃতি বিনিময়ের ক্ষেত্রে আমার তাদের কাছ থেকে কী নিতে পারি, আমাদের এখানে কী হতে পারে, এ বিষয় বিবেচিত হবে। অফিস আদালতে কাজ করার গতি তাদের ওখানে কেমন আমাদের এখানে কেন- এ সব বিষয় আসবে। সংস্কৃতির ক্ষেত্রে তাদের উৎকৃষ্ট বিষয়গুলো আমাদের সঙ্গে বিনিময় হবে। আমাদেরগুলো তাদের সঙ্গে বিনিময় হবে।

অর্থনীতি বিষয়ে বিনিময়ের ক্ষেত্রে আমরা যদি তাদের দর্শনগুলো অনুসরণ করি তবে আমাদের অনেক উন্নতি আসার সুযোগ আছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, মানবসম্পদ সবচয়ে বড় সম্পদ, এই সম্পদকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে পরস্পরকে সহায়তা করবে। আমাদের মানুষগুলোতে তারা প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তুলবে। জাপানে লোকবলের স্বল্পতা আছে। সেই স্বল্পতা তারা পূরণ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জে জাপানের বিনিয়োগ রয়েছে। আরও বিনিয়োগ আসতে পারে। এই চুক্তির মাধ্যমে একটা দরজা খুলে গেল। তারা এগিয়ে আছে, আমরা একটু পিছিয়ে আছি। তার বন্ধুরা বন্ধুকে তো সহযোগিতা করে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ঢাকায় জাপানের দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার হিরোইয়োকি ইয়ামাইয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।