ত্রিশালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানালেন-ইকবাল হোসেন

418

এস এম রুবেল আকন্দ: সুপ্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সকল এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীদের প্রাণঢালা অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক ছাত্রনেতা ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইকবাল হোসেন।

ইকবাল হোসেন বলেন, জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সাফল্যের সাথে অতিক্রম করলে তোমারা। আমার হৃদয় থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন গ্রহণ করো। জানি, তোমাদেরখুশিরঅংশগ্রহণ করার সাধ্য কারো নেই, শুধু সেই আনন্দের গভীরতাটুকুই উপলব্ধি করা সম্ভব। তাই আমি তোমাদের এ সাফল্যে গৌরবান্বিত এবং আশান্বিত। এটাই তো চেয়েছি আমরা। জীবনের প্রতিটি সিঁড়ি এভাবেই একের পর এক টপকে যেতে হবে। সে স্বপ্ন ও প্রত্যয় তোমাদের চোখে-মুখে অঙ্কিত হয়ে উঠেছে। এখন দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তোমাদের পদচারণায় ও কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা’ তোমাদের এই সফলতার পেছনে যাদের অবদান মিশে আছে বিশেষ করে যারা দিনের পর দিন কষ্ট করেছেন, উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, সর্বোপরি মহান রবের দরবারে দোয়ার হাত প্রসারিত করেছেন তাদেরকেও অভিনন্দন। হ্যাঁ ছাত্র-ছাত্রীরা, আনন্দ উদযাপন করছো ঠিক আছে, তবে স্মরণ রেখ-আজ তোমরা যেভাবে এসএসসি/দাখিলও সমমান পরীক্ষা সাফল্যের সাথে অতিক্রম করলে, আগামীতে উচ্চশিক্ষার বাকি স্তরগুলো আরও দক্ষতার সাথে পার হতে হবে। তবেই সমাজের অনেক বড় একজন মানুষ হয়ে পরিবার-দেশ ও জাতির কল্যাণার্থে যে কর্ম পরিকল্পনা করবে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। ভুলে যেও না যে এভাবে মানুষ ও বিশ্ব জগতের কল্যাণ সাধনের দ্বারা নিজের সৃষ্টির উদ্দেশ্য পূর্ণ করে পরকালে সৃষ্টি কর্তার নিকট আপন কাজের হিসাব প্রদান করে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনই তোমাদের জীবনের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে তাই প্রয়োজন আরো বেশি মনোযোগ, কঠোর অধ্যবসায়, দৃঢ় প্রত্যয়, অটুট মনোবল আর মনের মধ্যে স্বতঃফূর্ত প্রেষণা। কোন কারণে যারা কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি তাদেরকে সান্তনা ও অনুপ্রেরণা দেয়ার মাধ্যমে তাদেরকেও পরবর্তিতে ভালো ফলাফল করার ব্যাপারে আগ্রহ সৃষ্টির দায়িত্ব তোমাদেরই উপরই রইল।বিশ্বমানবতার কল্যাণে বাংলাদেশ এক অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় উৎসে পরিণত হতে পারে। এজন্য দরকার কিছু যোগ্য মানুষের, যারা একই সাথে হবে সৎ, দক্ষ, আন্তরিক ও দেশপ্রেমিক। যার অভাব আমরা প্রতিনিয়ত উপলদ্ধি করছি। প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমরা সেই অভাব পূরণ করে একধাপ এগিয়েছ। বাংলাদেশ তাই তোমাদের নিয়ে একটি সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখছে। জেনে রেখ, এ দেশের অসংখ্য অবহেলিত বঞ্চিত মানুষ তোমাদের ফলাফলে আশান্বিত। একজন আদর্শ ও যোগ্য মানুষ হিসেবে জগতের সামনে নিজেকে পেশ করার চেষ্টায় আজ থেকেই তোমরা শপথ গ্রহন কর।তোমাদের নিয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে। আমরা চাই নৈতিক ও মানবিক যোগ্যতার সমন্বয়ে গঠিত একদল সাহসী নেতৃত্ব বাংলাদেশকে উপহার দিতে। তোমরাই আমাদের প্রত্যশার ধ্রুব তারা। তোমাদের, আমাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও উদ্যোগে আমরা মানুষের মুক্তি ও কল্যাণে কাঙ্খিত পথের রেখা আঁকতে সক্ষম হবো বলে আমাদের বিশ্বাস।আমাদের বিশ্বাস বিগত সময়ের মত আগামীতেও তোমাদের মত মেধাবীদের নেতৃত্বে ছাত্রসমাজ ও মানবতার কল্যাণে আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারবে ইনশাআল্লাহ।