আনন্দ বাজারে ১৫০টি দোকান উচ্ছেদ করে দেয়া হল

122

আজ সকাল ১০টা থেকে ৩:৫০ মিনিট পর্যন্ত, প্রায় ৬ঘন্টা পর্যন্ত, স্হানীয় প্রশাসন ও এল জি আরডি তত্ত্বাবধানে একজন ম্যাজিস্টেডের উপস্হিতি তে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।

দোকান উচ্ছেদের স্বীকার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি,, ওমর ফারুক বলেন, আমাদের কোন উচ্ছেদের কোন নোটিস দেয় নি, প্রথম দফায় উচ্ছেদের সময় রাস্তার জন্য দুই পাশে তিনফুট করে ভাংতে বলে আমরা সবাই তা ভেংগে দেই। কিন্তু নোটিস ছাড়া উচ্ছেদ শুরু করে। এতে আমাদের প্রয়োজনীয় মালামাল সরাতে পারি নি। এই ক্ষতি পুরন আমাদের কে দিবে?

জাতীয় পার্টি নেতা ইলিহাস বলেন, আমাকে লাল দাগ দিয়ে গেছে, আমি সেই অনুযায়ী স্হাপনা সরিয়ে দিয়েছি। কিন্তু ম্যাজিস্টেট সাহেব নির্দেশে আমার সমস্ত দোকান ঘর উচ্ছেদ করে।।

৯নং ওয়ার্ল্ড মেম্বার আলমগীর বলেন,আমাদের দুই ঘন্টা সময় দেন, আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় মালামাল সরিয়ে নেই। তারা কিছুতে মানতে নারাজ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগর সভাপতি হোসেন মেম্বার বন্ড সই দিলে তারা উচ্ছেদ অভিযান স্হগিত করে ৪৮ ঘনটার সময় বেধে দেন, রাস্তার পশ্চিম পাশের সব স্হাপনা সরিয়ে নিবে এই মর্মে প্রত্যায়ন করলে, তারা উচ্ছেদ স্হগিত করে চলে যান।

ঢ়া দোকানদার শাহচান বলেন, আমার একমাত্র আয়ের উৎস চা স্টল,, এই স্টলের আয় দিয়ে আমার সংসার চলে, আমি এখন রাস্তার ফকির হয়ে গেলাম,ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি আলামিন বলেন, আমার এই দোকানের আয় দিয়ে আমার সংসার চলে, বৃদ্ধ বাবা, মা, ছেলে মেয়ে নিয়ে আমি কি করবো? তাদের ভরন পোষন আমি কি ভাবে চালাবো বলে চোকের পানি ছেড়ে দেয়।