স্বামীর পাওনা টাকা প্রসঙ্গে অভিযোগ করায় সুদক্ষ চাঁদাবাজ-ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মুজিবুর ও জুয়েলের হুমকি

273

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ স্বামীর পাওনা টাকা প্রসঙ্গে অভিযোগ করায় সুদক্ষ চাঁদাবাজ-ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মোঃ মুজিবুর ও মোঃ জুয়েল এর হুমকি ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করেছে আপন ছোট বোন ফামিদা শারমিন।সুদক্ষ চাঁদাবাজ-ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসীরা আজ মার ন্যায়বান সৎ স্বামীর নামে কুৎসা রটাচ্ছে। ফামিদার ফেসবুক পোস্ট দুইটি হুবহুব তোলে ধরা হলঃ

আস্সালামু আলাইকুম

গত ১২ই মে ও ১৩ই মে আমার স্বামীর পাওনা টাকা প্রসঙ্গে অভিযোগ করায় সুদক্ষ চাঁদাবাজ-ভুমিদস্যু-সন্ত্রাসী মোঃ মুজিবুর ও মোঃ জুয়েল এর হুমকি ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদ-

  1. মুজিবুর ও জুয়েল কখনোই মেসার্স জুয়েল স্টিল এন্ড রি-রোলিং এর মালিক ছিলো না, মুজিব ছিলো গ্যাস কাটারের ঠিকাদার। আর জুয়েল ছিলো সম্পূর্ণ বেকার। মিলের মালিক ছিলেন আমাদের সবার আপন বড় দুভাই।
  2. নাসির রি-রোলিং মিলস দীর্ঘ সাড়ে ৮ বছর আমার স্বামী সুনামের সাথে পরিচালনা করে এসেছেন। উক্ত মিলটিতে গ্যাস-বিদ্যুৎ-মিলের মেশিন্যারিস স্থাপন করেছেন।নাসির রোলিং এর মালিকের কিডনির ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসানাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তা এলাকার সবাই জানে।
  3. আমার স্বামী জুয়েল স্টিলে ম্যানেজারের চাকুরী করতেন।যদি আমার স্বামী মিলে চাকরিকালীন সময়ে দুর্নীতি করে থাকে তাহলে জুয়েল স্টীলের মালিক আমাদের আপন বড়ভাইয়েরা কেন আমাকে তার সাথে তখন বিয়ে দিলেন? তিনি ছিলেন সৎ এবং ন্যায়বান। সৎ উপায়ে কঠোর পরিশ্রমী কর্মজীবী মানুষের কষ্ট চাঁদাবাজরা কীভাবে বুঝবে? ২২ বছর ধরে আমি তার সাথে আজও সংসার করছি।
  4. যে মামার কথা তারা উল্লেখ করেছে, তিনি আমার উকিল শ্বশুর।জুয়েল স্টিল থেকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে সে তার মামার সাথে ব্যাবসা আরম্ভ করেন। সে মামা পথের ভিখারি নন, ঢাকার এলিট এলাকাগুলোয় ৮ টির মত বিল্ডিং , ৩টি ইট খোলা এবং একটি পেট্রোল পাম্পসহ বহু ব্যাবসার মালিক যা আজও পর্যন্ত চলমান।
  5. প্রভাতী স্টীলের মালিক খলিল সাহেব এবং আবু সালেহ সাহেব আজও জীবিত। তাদের থেকে তদন্ত করে জানা যাবে আমার স্বামী সঠিক লেনদেনের মাধ্যমে ব্যাবসা নিষ্পত্তি করে সেখান থেকে চলে আসেন।
  6. আল ফেরদৌসের মালিকদের কাছে এখনো আমার স্বামী ৬৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পাবে যা মালিকগণ আত্মসাত করে বিদেশে গা ঢাকা দেয়।
  7. তারা যে খান-স্টীলের কথা উল্লেখ করেছে , গত পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময় শ্রমিকদের ফুল বোনাস নাহ দিয়ে ১৩ দিনের বোনাস দেয়। স্টাফদের ফুল বোনাস নাহ দিয়ে ১৫ দিনের বোনাস দেয়।স্টাফদের মাসিক বেতনও দেওয়া হয়নি। যার ফলে শ্রমিক-স্টাফসহ উনিও স্বেচ্ছায় খান-স্টিল ছেড়ে চলে আসে। আমার স্বামীর প্রাক্তন পার্টনার মনির সাহেব ( যিনি আমারই মামাত ভাই) তিনি গলব্লাডার জনিত অসুস্থতায় চিকিৎসানাধীন।
  8. জুয়েল স্টিলের মালিক যে দুবড়ভাই তারা-ই আমাদের চারবোনকে খুশি হয়ে ৩ শতাংশ করে জমি উপহারস্বরূপ দেয়। কিন্তু আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ভূমিদস্যু মুজিব-জুয়েল দখল করে সেখানে আলিশান বাড়ি করেছে।
  9. জুয়েল স্টিলে কর্মরত অবস্থায় আমার স্বামী কখনো বুটজুতো-হাতমুজা-চামড়ার ব্যাবসা করেন নি। ব্যাবসা করতেন আমাদের আপন চাচাত ভাই হারুন।আর উল্লিখিত পিতল-রড চুরির সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের কথা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। যদি আত্মসাত করেই থাকত তাহলে সে কথা জেনেও এরপর বড়ভাইয়েরা উনার কাছে আমাকে কীভাবে বিবাহ দিলো?

আমার স্বামী স্ক্রাবের পাওনা ৪৫ লক্ষ ৪৩ হাজার এবং জুলহাস মিয়ার জমি ভূমিদস্যু মুজিবুর নিজের নাম করে ২ লক্ষ টাকাসহ সর্বমোট ৪৭ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাত করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

আমাদের পূর্বপুরুষ অবশ্যই ধনী ও সুবিচারক ছিলেন কিন্তু তা আমাদের-ই বড় ভাইগণ ও তাদের ছেলে পর্যন্ত সীমিত। মুজিব-জুয়েল ভাইজুটি চাঁদাবাজি-ভূমিদখল করে আমাদের দুর্নামের ভাগিদার ও এলাকাবাসিসহ অনেককেই নানাভাবে ভুক্তভুগি করছে। ন্যায্য অধিকারের দাবি ও তাদের ত্রাস থেকে বাঁচতে চাওয়ায় কুখ্যাত ভূমিদস্যু-চাঁদাবাজ মুজিবুর-জুয়েল যে মিথ্যাচার প্রচারনা করে তা দেখে আমি তাদের আপন ছোটো বোন হয়ে ধীক্কার ও তীব্র নিন্দা জানাই।

 

মধ্য সস্তাপুর হাজী লাল চান মেম্বারের দুই ছেলের কীর্তি-কাহিনী

আস্সালামু আলাইকুম

গতকাল আমি ফেইসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করে মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এ.কে.এম. শামীম ওসমান সাহেবের নিকট এক আবেদন করার কারণে সস্তাপুর নিবাসী আওয়ামীলীগের নেতা নামধারী সেই মোঃমুজিবুর রহমান(যিনি আমার আপন বড় ভাই) আমাকে এবং আমার স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ গুম-হত্যা করার হুমকি প্রদান করেন। যার ফলে আমরা জীবন সংকায় ভুগছি।

বিঃদ্রঃ আমার ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামী মোঃ আতিকুর রহমান খান আব্বাস ৪বছর ধরে ব্যাবসা বাবদ ৪৫লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা ও জমি বাবদ ২লক্ষ টাকা মোঃমুজিবুর ও মোঃ জুয়েল হতে পাওনা।

এই মুজিবুর-জুয়েল দুভাই কোনো ব্যাবসা করেন না, না করেন চাকুরী। তাদের আয়ের একমাত্র উৎস এলাকায় চাঁদাবাজি , ভূমি দখল এবং বিভিন্ন মানুষের থেকে বিভিন্ন উপায়ে টাকা আত্মসাত করা। তার আপন আরেক ছোটোবোন থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর সে পাওনা টাকা চাইতে গেলে হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

এসব ঘটনার মূল হোতা মোঃ মুজিবুরের শশুর জনাব আরব আলীকে আমার বড় মেয়ে আজ থেকে ১মাস আগে সব ঘটনা এবং আমার স্বামীর ক্যান্সারের কথা জানিয়ে শত আকুতি করে সেই পাওনা টাকা ফেরত চাইলে মুজিবুর তার শশুরকে অবজ্ঞা করে টাকা ফেরতের কথা অস্বীকার করে।

তারও এক বছর আগে মুজিবুর-জুয়েলের বড় ভাইয়ের নিজ বাসভবনে চারবোন ও বড় ভাই-ভাবীর উপস্হিতিতে মুজিবুর জমি বিক্রি করে টাকা দিবে বলে প্রতিজ্ঞা করে এরপর তারা বড় ভাইদেরও মানে না।

ওয়ারিশ হিসেবে আমাদের পাওনা জমির ওপর আলিশান বাড়ি করে মুজিবুর-জুয়েল বসবাস করছে। তাহলে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে কী আমরা বোনেরা বঞ্চিত হবো? আজও পর্যন্ত পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া সম্পত্তি এ দুভাই আত্মসাত করছে।

যারা নিজের বোনদের হক নষ্ট করে তারা কীভাবে আওয়ামীলীগ ফতুল্লা শাখা চালাতে পারে? তারা জনগণেরও হক নষ্ট করে খাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও খাবে।

এই দুই চাঁদাবাজ-ভূমিদস্যুদের ভয়ে এলাকাবাসী আতঙ্কিত এবং ভুক্তভুগি অনেকে মুখ খোলা থেকে পিছুপা। আপন বোন ও বোন জামাতার টাকা আত্মসাত করে তাদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি যারা দেয় তাদের দ্বারা সমাজসেবা ও রাজনীতি করা কী সম্ভব? আমি এর বিচার চাই মাননীয় সংসদ সদস্য এ.কে.এম. শামীম ওসমান সাহেবের কাছে।