বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর গণ ধর্ষণ মামলার ২ পলাতক আসামী গ্রেফতার

65

সফিকুল ইসলাম ইমামঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানা এলাকার নলপাথর নামক স্থানে বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর গণ ধর্ষণ মামলার ০২ (দুই) জন পলাতক আসামীদ্বয়কে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে র‌্যাব-১১ কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে। র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দমনের লক্ষ্যে র‌্যাব ফোর্সেস অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার জন্য নিয়মিত সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে থাকে।

গত ২৮/১০/২০২২ তারিখে রুপগঞ্জ থানাধীন নলপাথর এলাকায় জনৈক কিশোরী গণ-ধর্ষণের শিকার হয়। উক্ত গণ ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে এই ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের বিরুদ্ধে রুপগঞ্জ থানায় একটি গণ-ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৬৪/৬৮৩, তারিখ-২৮/১০/২০২২ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩)এর ৭/৯(৩) তৎসহ ৩৭৯ পেনাল কোড-১৮৬০।

উক্ত ঘটনার পরপরই এই গণ-ধর্ষণের সাথে জড়িত এজাহারনামীয় আসামী সহ অজ্ঞাতনামা আসামীগণ গ্রেফতার এড়াতে  আত্মগোপনে চলে যায়। এই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য র‌্যাব-১১ এর সদর কোম্পানীর একটি চৌকস গোয়েন্দা দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মাঠ পর্যায়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এই গণ-ধর্ষণের সাথে জড়িত অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামী ১। মোঃ সোহাগ (২২), পিতা-মোঃ লাল মিয়া, ২। মোঃ তাইজুল ইসলাম (১৮), পিতা-জাহিদুল ভূঁইয়া, উভয় গ্রাম-কালাতি, থানা-রুপগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জদ্বয়কে সনাক্ত ও তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অদ্য ৩০ অক্টোবর ২০২২ তারিখ আনুমানিক ৪০:৩০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানাধীন কালাতি এলাকায় র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উক্ত আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উপরোক্ত গণ-ধর্ষণের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য থানার অফিসার ইনচার্জ এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।