আগরতলা মামলার ৩৫ জনকে নিয়ে “স্মৃতি কথা ৭১”শ্রদ্ধাঞ্জলি

218

বিশেষ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর আগরতলা মামলার সকলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং স্বাধীনতা বিষয়ক কিছু স্মৃতি মানুষের সামনে তুলে ধরতে “স্মৃতি কথা ৭১” নিয়ে এলো নতুন আয়োজন। এখানে আগরতলা ষড়যন্ত্রের মামলায় যে ৩৫ জন ছিল, তাদের কথা তুলে ধরা হবে।প্রথমেই স্মৃতি কথা ৭১” সম্মানিত অতিথি হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে, মৃতঃ জনাব মোঃ আলী খান।আমরা তার ছেলে মোঃ মুরাদ খানের সাথে কথা বলেছি।তিনি “স্মৃতি কথা ৭১” কে জানায় — আগরতলা মামলায় প্রথমে ৩১ জনের নাম ছিল। পরে সেখানে ৩৫ জনের নাম হয়েছে।সেখানে ফজলুল হক, জহিরুল হক, সহ অনেকেই রয়েছে। বঙ্গবন্ধু যখন পাকিস্তানের কারাগারে ছিল। সেখানে আমার বাবাও ছিল, এবং বঙ্গবন্ধুর সাথে বাবার ১ ঘন্টার গুপ্ত বৈঠক হয়েছিল। তখন পাকিস্তানি এয়ার ফোর্সেরা, আমার বাবাকে গুপ্তচর বলেছিল। তখন ডাক্তার মিজানুর ও সেখানে ছিল বর্তমানে তিনি ঢাকায় রয়েছে। আমার বাবা কোন পলিটিশিয়ান লিডার ছিলেন না, তবে বঙ্গবন্ধুর খুবই কাছের লোক ছিলেন। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট যখন বঙ্গবন্ধুকে মারে তখন আব্বা কর্মিতলা ক্যান্টনমেন্টে ছিলেন। ফোর্সেরা যখন সব রকম প্রস্তুতি নিচ্ছিল,তখন আব্বা এটা দেখে আব্দুর রাজ্জাককে খবর দিয়েছিল। যে ঘটনা খুবই খারাপ। তখন বঙ্গবন্ধুসহ সবাই বলছিল, ওরা ইউনিভার্সিটিতে যাবে আনন্দ উল্লাস করবে। ওমন ভাবে কথাগুলা মালুম করেনি। অনেক বার বলা হয়েছিল,বাবার নাম ঘোষণা করবে।পরে আর ঘোষণা করেনি। তবে মুখে মুখে আমার বাবার বিষয়টা সকল নেতাকর্মী সহ প্রধানমন্ত্রী ও জানেন। ১৯৯৬ সালে যখন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসে, তখন বরিশালে প্রায় 2 লক্ষ মানুষের সামনে, আমার বাবাকে ক্রেস উপহার দিয়ে সম্মান প্রদান করেন।