তদন্ত ছাড়া, ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলায় সাংবাদিককে আসামী

751


নিজস্ব প্রতিনিধি : তদন্ত ছাড়া নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এস আই মনিরুল ষড়যন্ত্রমুলকভাবে সাংবাদিক মিঠু আহমেদকে আসামী করেছে বলে অভিযোগ করেছে মিঠুর মা হাসিনা বেগম। জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান এস এম মোরশেদের নিকট আইনি সহায়তা চেয়ে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকের মা। কথিত পুলিশের সোর্স, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, জুয়ার আসরের শেল্টার দাতা অঞ্জনের সাথে আতাত করে এস আই মনিরুল কোন তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিক মিঠু আহমেদকে ফাসিয়ে বলে দাবী করে ভুক্তভোগীর মা ও বাবা।
জানা যায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক মিঠুর উপর সন্ত্রাসী অঞ্জনের হামলা এবং ষড়যন্ত্রমুলকভাবে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী অঞ্জনের মামলায় মিঠুর নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়। অঞ্জনের উপর হামলার দিন তারিখ ও সময়ে সাংবাদিক মিঠু আহমেদ অসহায় অন্ধ মানুষের অধিকার আদায়ে সিদ্দিরগঞ্জ থানার এ এস আই কামাল ও সাংবাদিকদের সাথে ছিল।

এ ঘটনার বিষয় জিজ্ঞেস করলে সাংবাদিক মিঠু গণমাধ্যমকে বলে, “আমি ৭ জুলাই নারায়ণগঞ্জ চিটাগাং রোড রসুল বাগ অন্ধ প্রজেক্ট এর সভাপতি বোরহানের উপর সন্ত্রাসী হামলার সঠিক বিচার নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় দৈনিক অগ্নিশিখা পত্রিকার হাবিবুর রহমান খান ও সত্যের ডাক অনলাইন নিউজের ক্রাইম রিপোর্টার আকরামকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল আনুমানিক ৪টা থেকে রাত ১১.৪৯ পর্যন্ত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এ এসআই কামাল ও তার সঙ্গে থাকা কনস্টবলকে নিয়ে চিটাগং রোড রসুল বাগ অন্ধ প্রজেক্ট এ উপস্থিত ছিলাম । তাহলে কি ভাবে মাদক কারবারি অঞ্জনের উপর হামলার মামলায় বিনা তদন্তে এএসআই মনিরুল ইসলাম আমার নাম মাদক কারবারির কথা মতো মামলায় জড়িয়ে দেয়। মিঠু আরো বলে, “তাহলে আমি কি একই সময় দুই স্থানে উপস্থিত ছিলাম,? না কি এটাই প্রমান হয় যে মাদক কারবারি অঞ্জন এর মাদক বানিজ্যের সহয়তা করেন বলেই এএসআই মনিরুল ইসলাম আমাকে এই মামলায় ফাঁসালেন যাতে করে আমি মাদক কারবারি অঞ্জনের মাদক ও জুয়ার আসরের অনুসন্ধান ও নিউজ না করতে পারি।”

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে মিঠুর মা ও বাবা অনুরোধ করেন যে মিঠুর নামে এই ষড়যন্ত্র মুলুক মিথ্যা বানোয়াট মামলা থেকে সম্পূর্ণ ভাবে অব্যহতি প্রধানের সকল সহযোগিতা করার জন্য।এবং এই মামলায় সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি উদ্যোগ গ্রহন করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করে মাদক ব্যবসা নির্মুল করেন।

তথ্য সুত্রে জানা যায়, ৭ জুলাই মাদক ব্যবসায়ী অঞ্জনের সাথে তার সহযোগী সবুজ ও বাপ্পীগংদের ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে তর্ক ও দ্বন্দ্ব হয় এবং এক পর্যায়ে সবুজ ও বাপ্পীগং পুলিশের সোর্স ও মাদক ব্যবসায়ী অঞ্জনকে ধারালো অস্ত্রদিয়ে আঘাত করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তাক্ত জখম করে। উক্ত ঘটনায় সুকৌশলে সাংবাদিক দমন করার জন্য সংবাদ প্রকাশের জেরে পুলিশ ও মাদক ব্যবসায়ী আতাত করে মিঠুর নাম মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় জড়িয়ে ফাসিয়ে দেওয়া হয়।

এব্যাপারে জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা তদন্ত টিম মাঠে কাজ করছে। মিঠুর মায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে সংস্থার পেডে নারায়নগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে সাক্ষাতকার ও মতবিনিময়ের জন্য পত্র প্রেরন করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।

এব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মনিরুলকে কল করলে তিনি বলেন, ” ভাই এই মামলার বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না, প্লিজ আপনি ওসি স্যারের সাথে কথা বলেন। যা করা হয়েছে ওসি স্যার বলবেন।”
নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় ওসি আনিচুর রহমানকে কল করলে তিনি কল রিসিভ করেন না।