ডাটা এন্টি অপারেটর আলমগীরে ক্ষমতার দাপট,ভোগান্তিতে সাংবাদিক

147

নিজস্ব প্রতিনিধি: টাংগাইলের ধনবাড়ী নির্বাচন অফিসে ডাটা এন্টি অপারেটর আলমগীরে ক্ষমতার দাপট,ভোগান্তিতে সাংবাদিক ইব্রাহীম।

টাঙ্গাইল ধনবাড়ি উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভোগান্তির যেনো শেষ নেই। তাদের সাথে কথা বলতে গেলেও গুনতে হয় টাকা।
নাম পরিবর্তন থেকে শুরু করে যে কোনো কাজের জন্য গেলেই দিতে হবে অর্থ, না হলে কাজ তো হবেই ন বরং আপনি আরো ভোগান্তিতে পরবেন।
এমনি একটি ঘটনা গটেছে গত ১৮ এ জানুয়ারী, বীরতারা ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা এবং নারায়ণগঞ্জে অস্থায়ী বাসিন্দা সাংবাদিক ইব্রাহীম হোসেন।তিনি ১৮ জানুয়ারিতে ভোটার কার্ড করাতে ধনবাড়ি উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে ৩ ঘন্টা বসে থাকার পরে, তার বাবার এবং বাড়ি টেক্স, বিদ্যৎ বিল,চেয়ারম্যান এর প্রত্যায়নসহ সব কাগজ পত্র ঠিক থাকলেও, তার জন্মনিবন্ধ কেনো দিনাজপুরের এটা নিয়েই কথা উঠে। তখন বলা হয় এটা আমার নানির বাড়ি থেকে নিবন্ধন করা।পরক্ষণেই তার মায়ের সাথে মুঠফোনে কথা বলেন মনি শংকর রায়। এবং ই সি আলমগীরকে ছবি তুলতে বলেন। ছবি, ফিঙ্গার দেওয়ার পরে আলমগীর বলেন আপনার কাজ শেষ, ১৫ দিনের মধ্যে আপনার ফোনে মেসেজ যাবে, তখন আপনি অনলাইন কপি তুলে নিবেন।খুশি হয়ে সাংবাদিক ইব্রাহীম তাকে ৫শত টাকা দেয়। ১৫ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলে আলমগীরকে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করে না।পরের দিন আবারও কল দিলে তিনি উত্তেজনা প্রকাশ করে এবং বলে স্যার টেনিং এ গেছে ১২ই ফেব্রুয়ারী আসবে।১৫ ফেব্রুয়ারিতে তাকে পুনোরায় কল দিলে সে সাংবাদিকের সাথে দূরব্যবহার করে যা কল রেকর্ডে বিদ্যমান। এই বেপারটা ইউনোকে জানালে ইউনো বলে ঠিক আছে আমি বিষয়টা দেখছি।এদিকে আলমগীর আবেদন কারীর বাড়িতে কল দেয় এবং তার ছোট বোনের সাথে কথা বলে তথ্য নেয়, তথ্যের এক পর্যায়ে তার ছোট বোনকে বলে তুমরা কিন্ত ভেজালে পড়ে যাবা।
তারপরে মুঠোফোনে তার বাবাকে কল দেয় সঠিক তথ্য দেওয়ার পরেও তিনি দিনাজপুরের কথা বলে বিবৃতি করে।
এর পরে কল করে বীরতারা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ এর কাছে তিনি বলেন আমি তো সবাইকে চিনি না তবে দেখতে হবে।
এদিকে সাংবাদিকের ফোনে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ বলেন আমি একজন জনপ্রতিনিধি আমার দ্বারা সবাইকে চিনা সম্ভব নয়।আর যদি আমার পত্যায়ন এবং সনদ থাকে তাহলে তো আর কোনো কথা থাকতে পারে না।