পুলিশের নীরবতায় বেপরোয়া সন্ত্রাসী তানভীর

113

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

সাংবাদিকের উপর হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগের ২ সাপ্তাহ পাড় হলেও এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় এখন আরো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের জিমখানা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যং লিডার সন্ত্রাসী তানভীর।

৬ফেব্রুয়ারী সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক মিঠু আহম্মেদ এর উপর সন্ত্রাসী তানভীর বাহিনীর হামলার ঘটনায় ৮ ফেব্রুয়ারী একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় সাংবাদিক মিঠু।

কিন্তূ অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই এক প্রকার অন্যরুপে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার পুলিশ সদস্যরা। আর এজন্যই এখন সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য দের মধ্যে দেখা যাচ্ছে আরো অনেক বেশি সন্ত্রাসী ভাব। সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার এএসআই শফিউল্লাহ কে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি অভিযোগ টি নিয়ে কাজ করেছি এবং একজন অভিযোগে নাম থাকা ব্যাক্তির সাথে মোবাইলে কথা বলেছি সে আমাকে বলেন সে নাকি ঘটনার বিষয় কিছু জানেন না। তখন তাকে প্রতিবেদক বলেন আমরা কি আপনার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন এর সম্মুখীন হয়ে তাকে জিগ্যেস করবো এই বিষয়ে তার উত্তরে এএসআই শফিউল্লাহ বলেন আচ্ছা আপনারা স্যার কেই বলেন এই বলে ফোন কেটে দেন। পরর্তীতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন এর মোবাইলে কল করলে সে ফোনটি রিসিভ করেন নি।

পুলিশের এমন আচরণে সন্ত্রাসী দের মধ্যে আইনের প্রতি যেই ভয় থাকা ধরকার একজন সন্ত্রাসীর তা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পুলিশের এমন আচরণের কারণে। তাই সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য রা তাদের জানান দিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অঙ্গবঙ্গী তে করছে পোস্ট। তাদের এ সকল কর্মকান্ড কেবল তাদের জানান দিতে যেরূপ অন্য দিকে এতে করে তারা আরো হয়ে যাচ্ছে বেপরোয়া ও আইনের প্রতি অকৃতজ্ঞ।

সারাদেশে যখন চলছে কিশোর গ্যাং নিধনে কার্যক্রম সেখানে নারায়ণগঞ্জ সদর থানা এলাকায় সম্পুর্ন অন্য চিত্র। এখানে নেই তেমন চোখে পাড়ার মতো কোনো ধরনের অপরাধ ও মাদক কিংবা কিশোর গ্যাং এর সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে চলমান অভিযান। এজন্যই নারায়ণগঞ্জে কিছুদিন পর পর দেখা যায় একেক এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা ঘটাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ। কখনো হত্যা পর্যন্ত করতে দেখা যাচ্ছে এমন সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য দের।

এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে কি করা দরকার সেই প্রশ্নের জবাবে আমাদের সঙ্গে মোবাইলে জানালেন নারায়ণগঞ্জের একজন প্রবীন সাংবাদিক বিশেষজ্ঞ তার মতে সমাজ থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য সহ কিশোর গ্যাং রোধে সর্বপ্রথম নারায়ণগঞ্জের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দের করতে হবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা । এবং প্রতিটি এলাকার চিহ্নিত মাদক, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাংয়ের সন্ত্রাসী বাহিনীর লিস্ট করে তাদের গ্রেফতার অভিযান চলমান রাখলেই তবেই সন্ত্রাসীদের মধ্যে তৈরি হবে আইনের ভয়। প্রতিষ্ঠিত হবে আইনের শাসন ঠিক তখনই উত্থান হবে সমাজের এই কলঙ্ক মাদক এবং শেষ হবে কিশোর গ্যাং নামক নিকৃষ্ট কালচার। সে সময় তিনি আরো বলেন অনতিবিলম্বে সাংবাদিক মিঠু আহম্মেদ এর উপর হামলাকারী সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার করতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের হস্তক্ষেপ ও সাংবাদিকের উপর হামলাকারি যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে গুরুত্ব দিয়ে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার অনুরোধ করেন।

এমন সন্ত্রাসী ও মাদক, ছিনতাই এবং এলাকার নিরিহ জনগণের মাঝে আধিপত্য বিস্তার কারিদের অতি দ্রুত সময়ে আইনের আওতায় নিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজ থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য সহ কিশোর গ্যাংয়ের কালচার চিরতরে ধংশ করতে অনতিবিলম্বে তানভীর বাহিনীর সকল সদস্য ও সাংবাদিক মিঠু আহম্মেদ এর উপর হামলাকারি দের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করে জনগণের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানার হস্তক্ষেপ অতি জরুরি।