খাদিমে সরকারী খাস লিজের জমি দখেল দুই ভূমি খেকোচক্র মরিয়া

323

সিলেট শাহপরানে খাদিম নগরে সরকারী খাস লিজের জমি দখেল দুই ভূমিখেকোচক্র মরিয়া ঘটতে পারে অনাকাংখিত ঘটনা বলে জানা যায়। খাদিমে রাতের আঁধারে লেবার দিয়ে সরকারী খাস জমি বন্দোবস্ত লিজের আওতায় খাদিমটি গার্ডেন বা চা বাগানের জায়গার উপর বেআইনিভাবে অনুমোদন ছাড়া জবর দখল করে নিচ্ছে এবং দখলীয় জমি স্টাম্পের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে অবিরাম ভাবে। চা বাগানের লিজের জায়গার উপর বেআইনি ঘর তৈরি করা হয়েছে। বিগত কয়েক মাস ধরে আনুমানিক এ পর্যন্ত ৬০ থেকে ৭০টি ঘর তৈরি করা হয়। সেই দখলীয় ঘর স্টাম্পের মাধ্যমে বিক্রি হলে বিষয়টি ৩৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ জয়নাল আবেদীনকে অবগত করিলে তিনি কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বা কোনো সুরাহা হয় নি বরং দিনের পর দিন সরকারের হাজার কোটি টাকার খাস জমি জবর দখল করে নিচ্ছে ভূমিখেকোচক্র।ঐ দখল স্টাম্পের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে অবিরাম ভাবে। সরকারী অনুমোদন ছাড়া পাহাড় বন টিলা চা বাগান উজাড় করে, অনুমোদন ছাড়া খাস জমি বন্দোবস্ত বা লিজের আওতায় খাদিম চা বাগানের জায়গার উপর ফাঁকা ওয়ালের টিনের ঘর বাড়ী তৈরি করা হয়৷ তখন কাউন্সিলরের ভূমিকা ছিলো প্রশবিদ্ধ? কারণ তখন যারা এই কাজ করেছে তারা ছিলো মখলিছ-আবুল কালামের লোক। এখন আরেক নতুন ভূমিখেকোচক্র বেআইনী ভাবে বিগত ২৬ মার্চ রাতের আঁধারে ১১৪২ দাগে খাদিম চা বাগানের জমি লেবার ধারা জোর পূর্বক দখল করে ঘর তৈরি করে। সংবাদ পেয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নবগঠিত ৩৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ জয়নাল আবেদীন আরেক ভূমিখেকোচক্র মোঃ মখলিছুর রহমান, আব্দুল কালাম আজাদ পাটুয়ারী গং দের পক্ষে এসে নির্মানাধীন ঘর ভেঙ্গে দেন। অথচ বিগত কয়েক বছর যাবৎ মখলিছুর রহমান- আব্দুল কালাম আজাদ পাটুয়ারীগং একই ভাবে অনুমোদন ছাড়া ১৪২ নং দাগের সরকারী খাস জমি এবং বন্দোবস্ত লিজ আওতায় খাদিম টি চা বাগানের জায়গা জবর দখল লুট পাট করে চলেছেন। তাদের অবৈধ কাজের সঙ্গে এখন যোগ দিয়েছেন নবনির্বাচিত কাউন্সিলর। শুধু তাইনা জবর দখলের পর এই ভূমিখেকোচক্র জাল দলিল তৈরি করে সরকারের সাথে মামলা চালিয়ে অবৈধভাবে মামলা চলাকালীন সময়ে পাহাড় টিলা কেটে প্লট তৈরি করে স্টাম্পের মাধ্যমে দেদারছে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার হাতিয়ে নিয়েছে। বহর কলোনীর কিছু অসাধু ব্যক্তি নিজেদের ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত সরকারী খাস জমি জবর দখল করে লুটপাট করছে।