অপ-প্রচারের বিচার দাবী

84

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাও থানা এলাকার ছেলে সাংবাদিক ও সংগঠক সুলতান মাহমুদকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে বেশ কয়েক বছর ধরেই। এই অপ-প্রচারের বিচারের চেয়ে মতিঝিল থানায় জিডি করা হয়েছে, যার নং ৭৪৪ তারিখ ১২/০৫/২৪ ইং।

নানা সময়েই স্যোসাল মিডিয়া ফেসবুকে বিভিন্ন ফেক আইডি থেকে প্রচার হয় সুলতান মাহমুদকে নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট অপ-প্রচার। এ সকল অপ-প্রচার বন্ধের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের আইনের সহায়তা চেয়ে অভিযোগ, মামলা দায়ের করে ও অপপ্রচার বন্ধ করা যায়নি। এবার নতুন কৌশল অবলম্বন করে সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে নিয়ে অপ-প্রচারে মেতে উঠেছেন কিছু কুচক্রীমহল, তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে মান্নান ও দিপু এবং সহয়তা করছে অবৈধ ও ভুয়া সম্পাদক শাহ আলম। এবারের বিষয়টি বেশ ভিন্ন ধরনের ঘটনা নিয়ে সমনে আসে তা হলো নাজমা সুলতানা ববী নামক এক নারীর ফেসবুক লাইভ গিয়ে যেখানে দেখা যায় নাজমা সুলতানা বেবী নামের একজন অর্ধশত বয়সের এক নারী বেশ গুছিয়ে নিজের উপর সুলতান মাহমুদের কুনজর পরেছে এবং তাকে সুলতান মাহমুদ জোরপূর্বক বিবাহ করে বলে। নাজমা সুলতানা ববীর এই ফেসবুক লাইভের পর থেকেই শুরু হয় সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা গুঞ্জন। এরপর আবার ও দেখা মিলে সেই আগের লাইভের মতোই আরেকটি ফেসবুক লাইভ নাজমা সুলতানা ববীর সেখানেও বলে তার আর সুলতান মাহমুদের বিবাহের বিষয়টি। এমন একের পর এক ফেসবুক লাইভের জন্য সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মর্মে রাজধানীর কেরানিগঞ্জ লিখিত অভিযোগ দায়ের ও মতিঝিল থানায় গিডি করে। নাজমা সুলতানা ববীর ফেসবুক লাইভে প্রকাশ হওয়া জোরপূর্বক বিবাহ করা ও লাইভের যাবতীয় ঘটনার সম্মন্ধে সুলতান মাহমুদ কাছে প্রশ্ন করলে প্রতিবেদকের প্রশ্নের উত্তরে সুলতান মাহমুদ বলে প্রথমত আমি আমার নামে মিথ্যা তথ্য সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে প্রচার করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং বিচার চাচ্ছি। এরপর তিনি বলেন নাজমা সুলতানা ববীকে আমি আগে কোনোদিন দেখিনি ও চিনতাম না। আমি একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক পত্রিকাটি সাপ্তাহিক দপ্তর র্বাতা নামে প্রকাশিত হয় এবং খুব সুনামের সঙ্গেই চলছে। আমার পত্রিকাটি আমাদের পত্রিকার জন্য কিছু সংখ্যক সাংবাদিক প্রয়োজন তার জন্য আমরা নিয়োগ বিজ্ঞাপন প্রকাশ করি। এই বিজ্ঞাপন দেখে সেখানে থাকা আমার মোবাইল নাম্বার নিয়ে ফোন করে নাজমা সুলতানা ববী এবং সাপ্তাহিক দপ্তর বাতা পত্রিকায় নিয়োগ হতে চায় এমন আগ্রহ প্রকাশ করলে তখন আমি তাকে নিজের জীবনবৃত্তান্ত সহ শিক্ষা সার্টিফিকেট সহকারে অফিসে আসার জন্য বলি এবং সেও আসে এবং চাকরিটি তার বিষন ধরকার ও আরো নানা ধরনের কথা বলে ইমোশোনাল করে আমাকে চাকরি দিতে রাঝি করে, আমি ও তার কথায় রাঝি হই এবং তাকে দপ্তর বাতার প্রেস কাড তৈরি করে দেই। এই হলো তার সঙে আমার কিভাবে পরিচয় সে ঘটনা। এবার তার লাইভে সে বলেছে আমি সুলতান মাহমুদ তাকে জোড় করে বিবাহ করেছি এই কথাটি সম্পূন মিথ্যা কেননা একজন নারীকে যদি আমি জোড় করে বিবাহ করতাম তখন তাকে অবশ্যই আমি আমার নিজের স্থানে এনে তার পর বিবাহ করতাম কিন্তূ আমি তার বাসায় গিয়ে তার নিজের ডেকে আনা কাজি ও তার আত্তীয়দের সামনে এই বিবাহটি করেছিলাম। ভিডিও তে তা খুব স্পস্ট দেখতে পারবেন সবায় আমি বিবাহ রেজিস্টারে সাইন করার পর খুব সুন্দর করেই নাজমা তার সাইনটি দিয়ে ছিল।নাজমা সুলতানা ববী তার ফেসবুক লাইভে যে সকল কথা প্রকাশ করছে তা সম্পূণ মিথ্যা, বাস্তব হল নাজমা সুলতানা ববীর চক্রান্তে আমি পড়েছি ও আমাকে বিবাহ করতে বাধ্য করে সহয়তা পাওয়ার জন্য, আমি তাকে কোন সময় জোর করিনি আমাকে সে ষড়যন্ত করে এমন টা করেছে যা আমি বুজতে পারছি এখন। আমি এসকল ষড়যন্তের বিষয়ে কেরানিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ ও মতিঝিল থানায় জিডি দায়ের করেছি এবং নাজমা সুলতানা বেবীর সঙে আমার এক টাকা কাবিনের বিবাহ থেকে তালাক প্রদান করেছি, আদালতে মামলার প্রস্থুতি চলেছে বলে জানায়  চক্রান্তের শিকার সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ।