আমাকে রাজনীতি থেকে নিঃশেষ করার চেষ্টা চলছে চেয়ারম্যান প্রার্থী কালাম

157

মোঃ মোক্তার হোসাইন
রাজনীতি থেকে নি:শেষ করার চেষ্টা চলছে বলে শংকা প্রকাশ করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম। শুক্রবার (১৭ মে) বিকালে সোনারগাঁ ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ট্রেড ইউনিয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক মিয়া, সহ সভাপতি অধক্ষ্য মুনতাজ উদ্দিন মর্তূজা, আইন বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. হুমায়ূন কবির, ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন নাহিদ, সদস্য সাহাবুদ্দিন সাবু, মোগড়া পাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীড়ের সভাপতি গোলাম মোস্তফা গোলাপ, উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক রোবায়েত হোসেন শান্ত, সদস্য সচিব মশিউর রহমান শামীম, হিন্দু বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলার সভাপতি বাবু লোকনাথ দত্ত।

মাহফুজুর রহামন কালাম আরো বলেন, বিশাল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে একটি কুচক্র মহল। এই ষড়যন্ত্র কতদূর নিয়েছে তা সাধারণ ভোটাররাও জেনে গেছে। তারা চাচ্ছে আমাকে রাজনীতি থেকে নি:শেষ করে দিতে। আমার অপরাধ, আমি শুধু রাজনীতি করি। এর বাহিরে আমি চাঁদাবাজি করিনা। কারো জায়গা জমিও দখল করিনা, কারো জায়গাতেও খুঁটি লাগাতে যাই না। কারো টাকা পয়সার লোভ করি না। আমি মানুষের সাথে মিলে মিশে থাকতে চাই। এটাই হচ্ছে আমার অপরাধ। আর এই অপরাধের কারণেই আমার ৪০ বছরের রাজনীতি ওরা নি:শেষ করে দিতে চায়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে ভোটারদের কাছে হাত জোড় করে তিনি জানান, আমি আপনাদের কাছে ভোটটা ভিক্ষা চাই। একটা ভোটও যেন অন্য কোথাও না যায়। আপনাদের একটি ভোটে আমার অস্তিত্বটা রক্ষা হবে। আমার শুধু একটাই আশা আমি যতদিন বাঁচি মানুষের সেবা করতে চাই। রাজনীতিটা করে যেতে চাই। আর কিছু চাই না। যদি আমার চেয়ে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বী হতো তাহলে বলতাম না।

এছাড়াও উপিস্থত ছিলেন, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাসেল মাহমুদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান প্রয়াত মোশারফ হোসেনের পুত্র তান্না হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত মোবারক হোসেনের পুত্র এরফান হোসেন দ্বীপসহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং স্খানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গণ ।