এম এ রশিদকে মাইনাস করতে একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

433

বন্দর প্রতিনিধিঃ বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এমএ রশিদকে মাইনাস করতে একটি কুচক্রী মহল গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে এমনটাই জানিয়েছেন বন্দর থানা আ’লীগ নেতৃবৃন্দ। তারা আরো জানিয়েছেন,বন্দর থানা আ’লীগ ২০০৪ সালে এমএ রশিদকে সভাপতি ও খুরশিদ আলম সাগরকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি হয়েছিল। কমিটির শৃক্সখলা ভঙ্গের কারনে খুরশিদ আলম সাগরকে বাদ দিয়ে আবেদ হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ১৪ বছর ধরে বন্দর থানা আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসিন হয়ে এমএ রশিদ অনেক চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে কর্মীদের সুখে-দুঃখে ভাগিদার হয়ে দলটিকে সু-সংগঠিত করে আগলে রেখেছেন। তার ৩৫ বছরের রাজনীতিতে আপন স্বার্থকে জলাঞ্জলী দিয়ে কোন কালিমা লাগতে দেননি।অত্যন্ত সাধারণ জীবন-যাপন করে তিনি নিজ দলের কর্মীদেরও সুযোগ থাকা সত্বেও অবৈধ পন্থ্যায় অর্থ উপার্জনের প্রলোভন থেকে সব সময় বিরত রেখেছেন।

বন্দর থানা আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযুদ্ধের বীরসেনাপতি এমএ রশিদের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান,আমি বিশ^াস করি রাজনীতিতে সৎ ও ন্যায়নীতি ভাবে সাধারণ মানুষের পাশে থাকলে আল্লাহতায়ালার নৈকট্য অর্জন করা যায়। কিছুদিন যাবৎ একটি অশুভ শক্তি আমার নেতৃত্বে তীল তীল করে গড়া বন্দর থানা আ’লীগকে বিভক্ত করতেই আমার বিরোদ্ধে এমন অপপ্রচারে নেমেছে। ষড়যন্ত্রকারীদের মিশন ভেস্তে গেছে। আমি প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি আর আল্লাহর দরবারে দোয়া কামনা করি যাতে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত মানুষের সেবা করে যেতে পারি। দীর্ঘ ৩৫বছরের রাজনীতিতে কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করিনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে লালন করে প্রয়াত ভাষা সৈনিক আওয়ামীলীগের অন্যতম সংগঠক একেএম সামসুজ্জোহার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে একাগ্রচিত্তে দায়িত্ব পালণ করে যাচ্ছি। দীর্ঘ রাজনীতি জীবনের এ পর্যায়ে এসে একটা দাগ লাগতে দেইনি। সম্ভবত আমার প্রানপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ণের ধারাবাহিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই একটি মহল আমার পিছনে উঠে পড়ে লেগেছে। তবে অচিরেই তাদের এহেন ব্যর্থ মিশন সততার কষাঘাতে পদদলিত হবে। সত্যের নৌকা সর্বসময়ই দ্রুতবেগে চলে। কুট-কৌশলকারীদের অলিক ষড়যন্ত্রে বন্দর থানা আওয়ামীলীগ মোটেই বিচলিত নয়। তবে অচিরেই ষড়যন্ত্রকারীদের বিনাস ঘটবে।

এ ব্যাপারে বন্দর থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবেদ হোসেন জানান,আ’লীগের প্রবীণনেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা এমএ রশিদকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে তারা নিঃসন্দেহে বিএনপি-জামাতের প্রেতাত্বা। কেননা,ওনি একজন পরিচ্ছন্ন মিষ্টভাষী প্রবীন রাজনৈতিকবীদ। বন্দর থানা আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের যে কোন সমস্যা নিয়ে তার দারস্থ হলে তিনি তা সহজেই নিরসন করে দেন। এমন আওয়ামীলীগার আমার জীবনে কখনো দেখিনি। তিনি সবসময় তার নেতাকর্মীদের মঙ্গল কামনায় মশগুল থাকেন। এমন একজন সাচ্চা আওয়ামীলীগ নেতাকে নিয়ে যারা কুট-কৌশলে লিপ্ত রয়েছে তারা জাতীর শ্রেষ্ঠ বেঈমান।

বন্দর থানা ছাত্রলীগ সভাপতি নাজমুল হাসান আরিফ বলেন,পরিক্ষিতনেতা বন্দর থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি মুক্তিযুদ্ধের বীরসেনানী এমএ রশিদের সু-সংগঠিত থানা আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের ভিন্নদিকে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করছে একটি মহল। বিএনপি-জামাতের আতাতকারীরা ঈষাম্বিত হয়ে বিপ্লবী এ নেতাকে মাইনাস করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যা সত্যিই দুঃখজনক ব্যাপার। বন্দর থানা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ সকল অংগসংগঠন  মুষ্টিবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে।