বন্দর ও সদর জনগনের আশা ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ কে এম সেলিম ওসমান

442

সময়ের চিন্তা ডট কমঃ প্রয়াত নাসিম ওসমানের পরিবর্তে মহাজোট থেকে লাঙ্গল প্রতিকে নির্বাচন করেন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ কে এম সেলিম ওসমান। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগকারী সাবেক এমপি এস এম আকরাম ছিল একমাত্র প্রতিদন্ধী প্রার্থী। মহাজোটের মনোনয়ন লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করায় সেলিম ওসমান বি এন পি, জামায়াত সহ বিশ দলের শতকরা পচাঁনব্বই ভাগ ভোট পেয়েছেন। বিশেষ করে ক্ষমতাশীন দল আওয়ামীলীগের একক সমর্থন ও আধিপত্য বিস্তার। তার সাথে আবার দলীয় প্রভাব বিস্তার। তারপর ও অল্প সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে এস এম আকরামকে পরাজিত করে এ কে এম সেলিম ওসমানের বিজয়। যে বিজয়ে বন্দর-সদর আসনের জনগন পেয়েছে একজন মহামানব এম,পি। যার অবদানে আজ বন্দরবাসী উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পেরেছে। পেয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ অসংখ্য রাস্তাঘাট আর সর্বদলের সমতা রক্ষার অধিকার। দূর হয়ছে মাদক,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ,ভূমিদস্যুতা আর মারামারি কাটাকাটির মামলা হামলা।

তবে গত চার বছর সেলিম ওসমানের কাছ থেকে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা যা না পেয়েছে তার চেয়ে বেশী পেয়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান ও বি এন পির সভাপতি আতাউর রহমান মুকুলের নেতৃত্বাধিন বিশ দলের নেতাকর্মী। জনসভার মঞ্চে উঠেই যেখানে সেলিম ওসমান মুকুলকে ছোট ভাই বলে জনগনের নিকট প্রচার করত অথচ তার বিপরীত প্রতিফলন ঘটল নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমান সময়ে। হঠাৎ এ কে এম সেলিম ওসমানের কাছ থেকে আতাউর রহমান মুকুল লাপাত্তা। বুঝা যায় যেখানে বি এন পির সভাপতি মুকুলের হঠাৎ করে উধাও সেখানে বিশ দলের নেতা কর্মীদের ও একই অবস্থা। সুতরাং মহাজোটের প্রার্থী এ কে এম সেলিম ওসমানের এখন আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নীয়েই একমাত্র ভরসা। যার উপর নির্বর করে পূর্বের সকল মতবেদ ভুলে গিয়ে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে আবারো ক্ষমতায় যাবার একমাত্র ভরসা। তাছাড়া সাধারন জনগনের সেলিম ওসমানের প্রতি রয়েছে আস্থা ও বিশ্বাস। বিশেষ করে মহিলা ভোটাররা সেলিম ওসমানকে ব্যাক্তি হিসেবে পছন্দ করে। তার সাথে রয়েছে জনপ্রতিনিধিের সমর্থন। এ সকল বিবেচনায় আওয়ামীলীগ নেতাদের এক মঞ্চে দাড় করাতে পারলে বন্দর-সদর আসনে আবারো সেলিম ওসমান ক্ষমতায় যাবার সম্ভাবনা রয়েছে। সুত্র ফেইচবুক