আওয়ামিলীগ বিএনপি’র নেতাদের ছত্রছায়ায় অবৈধ জাটকা বিক্রি

115

নাবিলা শারমিন : নারায়ণগঞ্জ টার্মিনাল ৩ং মাছ ঘাটে, চলছে অবৈধ জাটকা মাছ বিক্রির মহা উৎসব !
গোপন সুত্রে জানা যায় ‘ নারায়ণগঞ্জ ছাএলীগের সাবেক নেতা জনির ছোট ভাই, ৩ং মাছ ঘাটের সাধারণ সম্পাদক ছানির বড় ভাই। বিএনপির নেতা মজিবুর ও রশিদ’র নেতৃত্বে চলছে অবৈধ জাটকা বিক্রি মহা উৎসব ।
পুলিশের চোখের সামনে বসে চলছে অবৈধ জাটকা বিক্রি। জাটকা ধরা নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও, মাওয়া ঘাট থেকে
সিএনজি যোগে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর হয়ে সরাসরি আসছে নারায়ণগঞ্জ ৩নং মাছ ঘাটে।

ঘটনা সুত্রে আরও জানা যায়,মজিবুর ও রশীদের অবৈধ জাটকা মাছ বিক্রি হয় , সাংবাদিক ও পুলিশকে ম্যানেজ করেই! এই বিষয় নিয়ে লাগাদার সংবাদ প্রকাশ হলেও কোন রকম কর্নপাত করে না অসাধু এই ব্যবসায়ী চক্রটি। এই বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ মস্য অধিদপ্তর থেকে তথ্য পাওয়া যায়, “১ই নভেম্বর থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত টানা ৮ মাস এই জাটকা ধরার নিষেধাজ্ঞা থাকে।” সারাদেশে অবৈধ জাটকা নিধন ঘোষণা করলেও নারায়ণগঞ্জ শহরের ৩নং মাছ ঘাটের অসাধু ব্যবসায়ীরা এটার তোয়াক্কা করে না বলে জানা যায়। সরকারী নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে টনকে টন জাটকা এনে ক্ষমতার দাপটে বিক্রি করা হচ্ছে এসব জাটকা মাছ।

এই বিষয়ে রশিদকে কল করলে সে বলে,”এই মাসে তো আমি এখনও জাটকা আনি নাই, হয়তো এটা ১১ তারিখের আগের খবর হতে পারে। তবে সংবাদ প্রকাশ করার দরকার নেই, আমি আপনার সাথে দেখা করব,”

তার এই কথার জবাবে প্রতিবেদক বলে, আপনি তো ঠিকই সাংবাদিক ম্যানেজ করার চেষ্টা চালান, তাহলে তো সত্যিই আপনারা আইন না মেনেই জাটকা ব্যবসা করছেন। জবাবে সে বলে” আমি এখনো আনি নাই প্রয়োজনে আপনারা খবর নিয়ে দেখতে পারেন, হয়তো ১১ তারিখে এনেছিলাম সেটার খবরি আপনি পেয়েছেন।” তার মানে সে মার্চ মাসের ১১ তারিখও অবৈধ পথ অবলম্বন করে জাটকা বিক্রি করেছে।

চক্রের আরেক জন মজিবুরকে কল করলে সে বলে, ” আমি তো জানি না, আমার মাছ তো আসে নাই, এখন কে বা কারা আনছে বলতে পারি না। হয়তবা আগের খবর গুলোই আবার নতুন করে কেও দিয়েছে।”

অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে এসব জাটকা মাছ বিক্রি করে দেশের সোনালী ইলিশকে ধংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি। চলবে….