ট্রাফিক পুলিশের অশুভ আচরনের বিচার চাই

156

পুলিশের পোশাক পরলেই করা যায় যা কিছু তাই! এমন আচরন ও অশুভ ব্যবহার করে রেহাই পাওয়া যাবে না। এই অভদ্র ট্রাফিক পুলিশের বিচার চেয়েছেন দপ্তর বার্তার সম্পাদক সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ। পুলিশ প্রশাসন বিচার না করলে আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। সাংবাদিকদের উপর অত্যাচার জুল্যম চলবে না বলে জানিয়েছেন এই সিনিয়র সাংবাদিক।

২৬ মার্চ মংগলবার নারায়ণগঞ্জের ১ নং রেল গেইট সংলগ্ন, অসহায় মানুষের জন্য ত্রাণ কিনে আসার সময় গণমাধ্যম কর্মী একটি ট্রাফিকের কাছে সহযোগিতা চেয়ে তার হাতে ধরে পাশ ঘুড়তেই ট্রাফিক সাংবাদিকের গালে চড় বসিয়ে দেয় এবং বলে “আমি আমার কর্তৃপক্ষের কাজ করতেছি, তুই কিসের সাংবাদিক তর কথায় আমার চলতে হবে?”

পরক্ষণেই এই দৃশ্য আরেক সাংবাদিকের চোখে পড়লে, সে থামাতে গেলে তার উপরেও চড়াও হয় সেই কর্কশ কনস্টেবল রিদয়। উপস্থিত জনতার সামনে এভাবে একজন সাংবাদিকের গায়ে হাত তুলার পরেও তার ভিতরে নেই বিন্দু মাত্র অনুশোচনা। বরং সে উচ্চ সরে বল, “তোরা আমার কি করবি কর, আমি এসব পরোয়া করি না।” ইফতারে আগ মুহূর্ত সবাই ব্যস্ত, নারায়ণগঞ্জ সদর থানার এস আই মোস্তফা এসে ট্রাফিকের হয়ে ক্ষমা চেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিকদের যাওয়ার অনুরোধ করে।পরক্ষণেই বেশ কিছু গণমাধ্যম কর্মী ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে ট্রাফিক কনেস্টেবল রিদয় ১ নং গেইট থেকে মেট্রো হল ট্রাফিক অফিসে চলে যায়। সেখানেও অনেক গণমাধ্যম কর্মী উপস্থিত হলে সে মন গড়া গল্প সাজায় কিন্তু মিথ্যা বানোয়াট কথা কেউ মানতে রাজি নয়। সাংবাদিকের মুঠোফোনে ভিডিও থাকায়, তার সে বানোয়াট অভিযোগ টেকেনি কারো কাছে। টি আই এডমিনসহ সবাই সহনশীলতা দেখালেও তার ভিতরে অপরাধ বোধের ছিটে ফোঁটাও ছিল না জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে উপরের কর্মকর্তারদের চাপেই ইচ্ছা না থাকার পরও সে স্যরি বলেও নিলজ্জেরমত হাসতে থাকে।

তার আচারণে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করে আরিফ নামের এক ব্যক্তি বলে “আগে পরে অনেক পুলিশ এখানে ডিউটি করেছে, ভাল মন্দ মিলাইয়াই মানুষ তবে এই পুলিশকে মনে হয় পরিবার ভালভাবে শিখাতে পারে নাই, সে বুড়ো থেকে যুবক সবার সাথে এতো খারাপ আচারন করে তা তো আপনারা মনে হয় বুঝতে পারছেন,আপনাদেরই ছাড়ে নাই আর কি কমু।”

আমরা জানি পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ, পুলিশ সাধারণ মানুষের ভরসা, তবে এমন পুলিশ জনতার জন্য কতটা আস্থাশীল বা ভরসা নিয়ে আসবে? তা কারও বোধগম্য নউ। এমন পুলিশ সদস্যের জন্যই সাধারণ জনগণের হয়রানিসহ পড়তে হয় নানা বিপাকে। এসব পুলিশ নামের সন্ত্রাসের হাত থেকে রক্ষা কবে পাবে সাধারণ জনগন। বেড়ার নামে খেত বক্ষক তারা, ১০ টাকা ৫ টাকা ঘুষ খেতে পারে এই ট্রাফিক পুলিশ। ট্রাফিকের দায়িত্ব অবহেলার কারনেই যানযট শহর জুড়ে। তাদের অপকর্ম তোলে ধরায় সাংবাদিকরা গলার কাটা।

এই ট্রাফিক পুলিশের বিচারে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক সমাজ।