নারায়ণগঞ্জ বন্দর ঘাটে ইজারা টোল নামক চাঁদাবাজি

58

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নারায়নগঞ্জ-বন্দর গুদারা ঘাটে  চলছে ইজারার নামে চাদাবাজী দেখার কেউ নাই। নাম না প্রকাশে  জানা যায় যে নবারায়নগঞ্জ সেন্ট্রাল টার্মিনাল খেয়া ঘাট নামে খেত গুদারা ঘাটে হামেশায় এই চাদাবাজী করছে ইজাদারের লোকজন।

একজন ভুক্তভোগীর বক্তব্য তোলে ধরা হলঃ  বাচ্চাদের জন্য একটা খেলনা আনতে গেলে নৌকা আটকায় বলে ইজারা টোল দেন তা ও ৫/১০ টাকা না ৩০/৪০ টাকা। নতুবা নৌকা দিয়ে আসতে দিবে না। বাজার করে ৪/৫ টা মুরগী আনতে নিলেও টাকা দেয়া লাগবে, একটা মটর বা ইলেকট্রনিক কিছু আনতে গেলে তো কথা ই নাই। বিশাল এমাউন্ট চেয়ে বসে থাকবে! বিদেশ থেকে কোনো মালামাল ঘাট দিয়ে পাড় করতে নিলে ২০০/৩০০ টাকা চাঁদা দাবী করে বসে থাকে। বড় বড় বস্তা, ব্যবসায়িক পন্য এগুলা অন্য বিষয় কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনার ক্ষেত্রে কিসের টোল ভাই? ২৫ বছর যাবত যাতায়াত করি, রিসেন্ট কয়েক বছর ছাড়া আগে তো এমন দেখিনি। আগে ঘাট ভাড়া ২৫ পয়সা বা ৫০ পয়সা নিত আর বেশি মালামাল এর ক্ষেত্রে টুকটাক। এছাড়া তো ঘাটে কখনো হাতে বহনযোগ্য মালামালের জন্য টাকা দিতে হয়নি।

আর হ্যা তারা ইজারা ভাড়া নিক সমস্যা নেই লিস্ট টানিয়ে দিক কোন পন্যে কত টাকা ইজারা। এভাবে তাদের চাঁদাবাজি তো মেনে নিতে পারি না। আর এমপি সেলিম উসমান সাহেবের নামে নারায়ণগঞ্জ সাইডে এবং খান মাসুদের নামে বন্দরের সাইডে সরাসরি এই চাঁদাবাজি তারা করছে। (১০০% সিউর এমপি সাহেব এবং খান মাসুদ ভাই এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না, তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে এই চাঁদাবাজি) কিছু বললে বলে যান পারলে এমপি সাহেবরে বিচার দিয়া কিছু কইরা দেখান পারলে। খান মাসুদ ভাই রে বইলা পারলে কিছু করেন গিয়া। আসলেই কি তাদের চাঁদাবাজি বন্ধের কোনো উপায় নেই???  সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি।

এব্যাপারে খেয়া ঘাটের ইজারাদারকে কল করলে তিনি কল ধরেন নাই। ..