অবৈধ ও ভুয়া সম্পাদক শাহ আলমের অপ-প্রচারের প্রতিবাদ

60

রুহুল আমিনঃ শরীয়তপুর থেকে থালা বাটি কম্বল নিয়ে আসা অবৈধ ও ভুয়া সম্পাদক সাহ আলমের অপ-প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ।  এক সময়ের মলম বিক্রেতা নারায়নগঞ্জে এসে দুই পত্রিকার ভুয়া সম্পাদক বনে বিভিন্ন জনের নামে- বেনামে মিথ্যা অপ-প্রচার শুরু করেছে। তার অপ-প্রচার থেকে রেহাই পাচ্ছে না সাংবাদিকও।

দৈনিক রুদ্রবার্তা’র পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হল শহিদুল ইসলাম পাইলট এবং সাপ্তাহিক রুদ্রকন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও  প্রকাশক হল মুক্তিযোদ্ধা জলিলুর রহমান, যার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন মতিউর রহমান, যিনি দৈনিক রুদ্রবাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক।  প্রশ্ন কিভাবে এই ভুয়া শাহ আলম দুই পত্রিকার সম্পাদক বনে গেল।

এই ভুয়া সম্পাদক নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করে সাংবাদিক সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালাচ্ছে, ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রচার করাচ্ছে। সত্য প্রকাশের জের ধরে এই অবৈধ সম্পাদক মিথ্যা ও বানোয়াট অপ-প্রচার করছে।

সুত্র মতে, অনলাইন পোর্টাল দৈনিক সত্যের ডাক, সময়েরচিন্তা ও দপ্তর বার্তা পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ হয়- এক সময়ের মলম বিক্রেতা শাহ্ আলম  এখন একাধিক পত্রিকার সম্পাদক ! সাংবাদিকতা হচ্ছে একটি মহৎ পেশা,আর এই পেশ পূজি করে হরহামেশেই কিছু কিছু লোক সাংবাদিক ও সম্পাদক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি ও বহু অপকর্ম করে যাচ্ছে পুলিশের নাকের ডগায়।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতারক হল  শাহ আলম তালুকদার। নারায়ণগঞ্জ শহরের উকিল পাড়া জগদীশ মিষ্টান্ন ভান্ডারের সামনে চকি বিছিয়ে ফুটপাতে চুলকানির মলম বিক্রি করত বলে নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা। হকারি ও মলম বিক্রিই ছিল শাহ আলমের পেশা ও নেশা।

জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসককে এই অবৈধ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পত্র দিলেও জেলা প্রশাসক কোন ব্যবস্থা নেয় নি বলে জানা যায়। ২০১১ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপারকে আইন্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পত্র দিলেও তৎকালীন পুলিশ সুপার অদৃশ্য কারনে প্রতারক ও ভুয়া সম্পাদক শাহ আলমের বিরুদ্ধে কোণ আইনত ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানা যায়।